Posts

Showing posts from July, 2021

The importance of education

Image
  The importance of education  Ikra (read)! The great creator of the universe with his most beloved angel first revealed this word to the most beloved messenger. Therefore, the importance of education is understood from this? Education is the means of our self-formation. Without education no man can make himself ideal. As a result we see that the sons of many poor people get involved in various bad deeds. Because they can't enroll their children in school, they can't buy different books. Which makes them worse. Why were people so ignorant in the time of the Prophet (pbuh)? Murder, theft, robbery, murder, looting were their constant companions, why? Because at that time there was no education among the people. Which is why they were the best cowards in history. Give a simple example, you will understand why the United States and other developed countries are so civilized? And why are so many bad jobs spread in other underdeveloped countries? Because the education system of the ...

Value of time

Image
VALUE OF TIME  Every creature is destined to die. Although birth and death are not in our hands, but the time in between is in our hands. Think about it, what would you do if you knew you had one more day? Then you will do what will make you immortal. Then you will send all your happiness, sorrow, anger, fear to hell. It has been said here one day that there is no guarantee of life. You can't even guarantee to lift the blink of an eye. So why don’t we think about it every second? So start working now. There is no set time for work. The only time is now, this time. If you have time today, do tomorrow's work today, and do today's work now, not later.If only I had finished it earlier. It's not that the time has passed and you can bring it back if you want. There is a saying - "time and tide wait for none." You can get your lost money back if you want but you will never get your time back. Hey brother, the more money you rub, the more it will come out. But the los...

Set goals in life

Image
  Aim in life What is your goal? We have been familiar with this word since childhood. I used to say so many things then. Sometimes I was a doctor, sometimes I was an engineer, sometimes I was a pilot. Again, when I was very young, I used to say - when I grow up, I will be a doctor in the morning, an engineer in the afternoon, a pilot at night. I was young then so I didn't understand. Since I did not understand what the goal was, I would say these things. It is very important for us to set goals. Sometimes many people do not have the right goals. And since it's about our future, it's important for us to think about it. Which requires a lot of patience. Which fails because many do not have it. So we have to learn to be patient for it. Here we will discuss some important things to fix the goal. A beautiful environment is needed first to fix the goal. Where you can think beautifully about your goals. You will need an environment that will guide your goals in the right directio...

Build Your Career

Image
CAREER  Career means fast pace, speed, lifestyle, scholarship etc. The one who has been able to make the dream come true has actually built his career. It sounds good to hear the word career but it is very difficult to make it a reality. It takes a lot of hard work, patience. But once you can build it, you don't have to work that hard anymore. To build a career you need to find a unique profession. However, if any, but will not work. You have to be different from everyone else. You will not have such thoughts in your head like: I will work in such an organization. You have to think that I will create such an institution. Many will say hey brother! I have no qualifications. How do I build my career? I say my brother, my friend! Everyone has some unique power. Which you can't find. To find it, sit still in one place or 5 minutes before going to sleep or sit in one place and think what is your unique power? Then you will definitely find your unique power. Start working on that uni...

শিক্ষার গুরুত্ব

Image
 ইকরা (পড়)!মহাবিশ্বের মহান স্রষ্টা তার সবচেয়ে প্রিয় ফেরেশতা দিয়ে সবচেয়ে প্রিয় রাসুলের কাছে সর্বপ্রথম এই শব্দটি নাজিল করেন। অতএব এ থেকে বুঝা যায় শিক্ষার গুরুত্ব কতটুকু?  শিক্ষা আমাদের আত্ম গঠনের মাধ্যম। শিক্ষা ছাড়া কোনো মানুষ নিজেকে আদর্শবান করতে পারে না।যার ফলে আমরা দেখি অনেক গরীব মানুষের ছেলে বিভিন্ন খারাপ কাজে জড়িয়ে পড়ে। কারণ তারা তাদের সন্তানদের স্কুলে ভর্তি করাতে পারে না, বিভিন্ন বই কিনে দিতে পারে না। যার কারণে তারা খারাপ হয়ে যায়। মহানবী (স.) এর যুগে মানুষরা এতো জাহেল ছিল কেন? খুন খারাবি, চুরি, ডাকাতি,হত্যা,লুন্ঠন তাদের নিত্য সঙ্গী ছিল কেন? কারণ সে সময়ে মানুষের মধ্যে শিক্ষা ছিল না। যার কারণে তারা ছিল ইতিহাসের শ্রেষ্ঠ কুলাঙ্গার। একটা সহজ উদাহরণ দিলে আপনারা বুঝবেন আমরিকাসহ অন্যান্য উন্নত দেশ এতো সভ্য কেন? আর অন্যান্য অনুন্নত দেশে এতো খারাপ কাজ ছড়িয়ে আছে কেন? কারণ উন্নত দেশ গুলোর শিক্ষা ব্যবস্থা উন্নত হওয়ায় তাদের মধ্যে সভ্যতাও উন্নত। যার কারণে তারা ভালো মানুষ হওয়ার স্বাদটা পায়। আর অন্যদিকে অনুন্নত দেশের শিক্ষা ব্যবস্থা অনুন্নত হওয়ায় তাদের মধ্যে সভ্যতাও অনুন্নত।  আবার অল্...

ইবাদতের সৌন্দর্য

Image
১.আল্লাহর দৃষ্টিতে যে স্থানে মসজিদ নির্মিত হয়েছে তা হলো পৃথিবীর সর্বত্তম স্থান। যারা আল্লাহকে ভালোবাসে তারা মসজিদকেও ভালোবাসে। যারা মসজিদের সাথে সম্পর্ক রাখবে তারা কিয়ামতের কঠিন দিনে আরশের নিচে ছায়া পাবে। ২.মসজিদের খেদমত করা ও আবাদ রাখা। ৩.ফরয নামাজ সর্বদা মসজিদে আদায় করা। ৪.মসজিদে যাওয়ার সময় আনন্দ নিয়ে যাওয়া। ৫.মসজিদ পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন রাখা। ৬.মসজিদে আল্লাহর ভয় নিয়ে যাওয়া। ৭.মসজিদে শান্তির সাথে বসা। ৮.মসজিদে ছোটদের নিয়ে যাওয়া ভালো তবে এতো ছোট নয় যে সে সেখানে পেশাব, পায়খানা করে দেবে বা থুথু ফেলবে। ৯.মসজিদের বাইরে কোনো কিছু হারিয়ে গেলে মসজিদে তা ঘোষণা না দেয়া। ১০.মসজিদে প্রবেশের সময় ডান পা দিয়ে প্রবেশ করা। ১১.মসজিদের থেকে বের হওয়ার সময় বাম পা দিয়ে বের হওয়া। ১২.মহিলারা মসজিদে যাওয়ার পরিবর্তে নিজ ঘরে নামায আদায় করবে।তবে ব্যবস্থা থাকলে তা অন্য হিসাব। ১৩.বুদ্ধিমান ছেলেকে সাথে নিয়ে মসজিদে যাওয়া। ১৪.মসজিদে ঢুকার সময় ঢুকার দোয়া পড়া আর বাহির হওয়ার সময় বাহির হওয়ার দোয়া পড়া। আমার আরো পোস্ট পেতে এখানে ক্লিক করুন ।  ধন্যবাদ💓

মোটিভেশনাল কথাঃসময় থাকলে কালকে কাজ আজ করো;আজকের কাজ কাল নয়

Image
 আজ নয় কাল করব কথাটি আপনাকে ধ্বংস করে দিতে যথেষ্ট। এর মাধ্যমে আপনার কি লাভ হচ্ছে বলতে পারেন? লাভটি হলো- আমার জীবনের সফলতা আরো পিছনে গেল। এছাড়া তো আমি আর কোনো লাভ দেখতে পাচ্ছি না। তাই যে কাজটি করতে চান তা কিছুক্ষণ পরে নয় এখনি শুরু করুন। একবার ভেবে দেখুন যে কাজটি আপনি এখন শুরু করতে চাচ্ছেন তা যদি আরো একবছর আগে শুরু করতেন তাহলে আপনি কোথায় থাকতেন।আবার কাজটি শুরু করে বসে থাকবেন না। কাজটিকে সফল করার জন্য যথাসাধ্য চেষ্টা করতে হবে। আপনি যদি সে কাজটি ১০০%ফোকাসের সাথে করেন তাহলে আপনার সফলতা হয়তো আসতে পারে নয় ; আসবেই। তবে ধৈর্য ধরতে হবে। আমাদের প্রিয় নবী (স.) মানুষকে ইসলামের পথে আনতে গিয়ে কতই না কষ্ট সহ্য করেছেন। তবু তিনি আশা ছেড়ে দেন নি। তিনি সেখানে সফল হয়েছিলেন। সেভাবে আমরা যদি কাজটি ১০০% ফোকাসের সাথে করি। তাহলে আমাদের জয় নিশ্চিত। কাজটি এমন ভাবে করুন যাতে করে আপনাকে কালকে ভাবতে না হয় ইস! এটা যদি আমি কালকে শুরু করতাম। সবাই সব কাজে সফল হয় না। কিন্তু কেন?কারণ তারা হলো ঐ সমস্ত লোক যারা বলে থাক আজকে নয় কাল করব। কিন্তু দুর্ভাগ্যে বিষয় হচ্ছে তাদের ঐ কাল আর কোনো দিন আসে না। আমি একটা জায়গায় শুনে ছি...

বাংলা মোটিভেশনাল গল্পঃ ভয় কেন পাও?

 একটি জঙ্গলে একটা ইদুর বাস করত। সে সবসময় একটি বিড়ালকে ভয় পেত। তাই কোনো জায়গায় গেলে সে আরেকটি ইদুরকে সঙ্গে নিয়ে যেত। সে ইদুরটিও একদিন বিরক্ত বোধ করে বলে দিল সে আর তার সাথে যাবে না। এবার তার পেটে অনেক ক্ষুধা তাকে তো বের হতেই হবে। সে ভয়ে ভয়ে আস্তে করে বের হলো। কিছুক্ষণের মধ্যেই বিড়ালটি তার গন্ধ পেয়ে সেখানে উপস্থিত হলো এবার ইদুরটি কোনোমতে পালিয়ে তাদের সেনাপতির কাছে চলে গেল। সেনাপতি জিজ্ঞেস করল, "তুমি এতো ভয়ে আছো কেন?" ইদুরটি বলল, "আমাকে একটা বিড়াল তাড়া করেছিল তাই।" সেনাপতি বলল, "তার জন্য কি এতো ভয় পেতে হয়? তাহলে তো জীবনে কিছুই করতে পারবে না। ইদুরটি বলল," ইস আমি যদি বিড়াল হতাম!" সেনাপতি বলল,"আমি তোমাকে বিড়াল বানাতে পারব তবে একটা শর্তে তুমি কোনো ইদুর খাবে না।" ইদুরটি বলল,"ঠিকাছে।"  তারপর ইদুরটি তাকে বিড়াল বানিয়ে দিল। এখন তাকে ধরল কুকুর। কুকুরের ভয়ে সে আবার আসল ঐ ইদুরটির কাছে । এবার ইদুরটি তাকে কুকুর বানিয়ে দিল। যখন কুকুর হলো এবার তাকে পেল সিংহ। এবার সিংহ বানিয়ে দেয়ার জন্য সে ইদুরটিকে অনুরোধ করল। এবার সিংহ হওয়ার পর সে বলল আমি এখন এই বনের ...

বাংলা মোটিভেশনাল উক্তিঃশিক্ষা ও মনুষ্যত্ব

Image
 মানুষের জীবনকে কুড়ি ও ফুলের মতো তুলনা করা যাক। জীবসত্তা সেই কুড়ি এবং মানবসত্ত্বা হলো মনুষ্যত্ব বা ফুল।  কুড়ি থেকে ফুল হবার সময়টা হলো শিক্ষা আর শিক্ষা আমাদের জীবনকে ফুলের মতো সুন্দর করে।  ফুল যেমন সকলের কাছে চেনা পরিচিত ঠিক তেমনি শিক্ষিত মানুষ সকলের কাছে চেনা পরিচিত হয়।শিক্ষা আমাদের শিখায় কীভাবে জীবনটাকে উপভোগ করতে হয়।কীভাবে মনের মালিক হয়ে অনুভূতি ও কল্পনার রস আস্বাদন করা যায়? ফুল যেমন অনেক অনেক সুবাস ছড়ায় তেমনি শিক্ষিত মানুষ নিজের সুবাসটুকু অন্যের কাছে ছড়িয়ে দিতে পারে। মানুষ যেমন ফুলকে ভালোবাসে তেমনি মানুষ আপনাকে ভালোবাসবে। মানুষ যেমন ফুলের জন্য পাগল ঠিক তেমনি মানুষ আপনার জন্য পাগল হবে।মৌমাছি পাতা খুজে না খুজে ফুল তেমনি মানুষ অন্যকে খুজবে  না খুজবে আপনাকে।তাই আমাদের শিক্ষিত হতে হবে। আবার শুধু শিক্ষিত হলেই চলবে না হতে হবে আদর্শবান, ন্যয়নিষ্ঠাবান। অশিক্ষিতরা জানে না কীভাবে দূর্নীতি করতে হয়। তারাও করে তবে কম কিন্তু তাদেরকে দিয়ে যারা করাই তারা কিন্তু আবার শিক্ষিত। আজ দেশে দূর্নীতি করছে শিক্ষিত নামে কতগুলো কলঙ্ক। তারা দেশের গরীব মানুষের সম্পদ লুন্ঠন করে।  আমাদের দেশ...

নিদ্রা ও জাগ্রত হওয়ার আদবসমূহ

১.এশার আগে ঘুম না যাওয়া। ২.রাত হওয়া মাত্রই আলো জালানো। মহানবি যে ঘরে রাতে আলো জালানো হয়নি সে ঘরে ঘুম যেতেন না। ৩.রাতে জাগ্রত থাকা ও দিনে নিদ্রা যাওয়া থেকে বিরত থাকতে হবে।  ৪.অতিরিক্ত আরামদায়ক বিছানায় না শুয়া। ৫.ঘুমাবার সময় দরজা জানালা বন্ধ করে দেয়া। ৬.ঘুমাবার সময় যে সব জিনিস পাশে অবশ্যই রাখতে হবে- পানি, গ্লাস, লাঠি, টর্চলাইট, মেসওয়াক, তোয়াল। ৭.ঘুমার সময় জুতা ও কাপড় পাশে রাখা। ৮.ঘুমার সময় ভালো করে বিছানা ঝেড়ে নেয়া। ৯.ঘুমানোর আগে ঘুমের দোয়া পড়া। ১০.বিছানায় গিয়ে পবিত্র কুরআনের কিছু অংশ তিলাওয়াত করা। ১১.ডান দিকে কাত হয়ে শুয়া।  ১২.নির্মল বাতাস বইছে এমন জায়গায় শুয়া। ১৩.মুখ ঢেকে না ঘুমানো। ১৪.রেলিংবিহীন ছাদে না ঘুমানো।  ১৫.শেষ রাতে উঠার অভ্যাস করা। ১৬.ভালো স্বপ্ন দেখলে শোকর আদায় করা।  ১৭.দরুদ শরীফ বেশি বেশি পড়া। আমার লেখা আরো কিছু বিষয়ের আদব সম্পর্কে জানতে এখানে  ক্লিক করুন । 💗❤️ সমাপ্ত  

পথ চলার আদবসমূহ

 ১.রাস্তায় মধ্যম গতিতে হাটা। ২.শিষ্টাচার ও নিচের দিকে তাকিয়ে হাটা ৩.বিনয় ও নম্রতার সাথে পা ফেলা।  ৪.সর্বদা জুতা পরিধান করে হাটা। ৫.পথ চলতে সুরুচি, সভ্যতা ও গাম্ভীর্যের দিকে লক্ষ রাখা  ৬.পথ চলার সময় কাপড় উপরের দিকে তুলপ হাটা। যাতে কাপড়ে কোনো কিছু না লাগে। ৭.সর্বদা অকপটে লোকদের সাথে চলা। হাটার সময় নিজের মর্যাদার পার্থক্য দেখাবে না। ৮.রাস্তার হক আদায় করার চেষ্টা করা। যেমনঃ         ক.দৃষ্টি নিচের দিকে রাখবে।                                  খ.রাস্তা থেকে কষ্টদায়ক বস্তু দূর করা।                  গ.কেউ সালাম দিলে সালামের জবাব দেয়া।          ঘ.ভালো কাজের আদেশ দেয়া এবং খারাপ কাজ থেকে বিরত রাখা।                                                ঙ.পথহারা ব্যক্তি পথ দেখিয়ে দেয়া।   ...

পোশাকের আদব

 আমাদের এমন পোশাক পড়া দরকার যাতে আমাদের শরীরের লজ্জা সরম রক্ষা হয়। আল্লাহ তায়ালা বলেনঃ"হে আদম সন্তান! আমি তোমাদের জন্য পোশাক অবতীর্ণ করেছি, যাতে তোমাদের লজ্জা নিবারণ ও লজ্জা রক্ষা পাই এবং তা শোভা ও সৌন্দর্যের উপকরণ হয়।"(সুরা আরাফ) আমরা সবাই তো পাখি দেখেছি। পাখির পালক পাখির জন্যে সৌন্দর্যের উপকরণ ও তার শরীর রক্ষার উপায়ও বটে। তাই আমরাও সেরকম আমরা যদি পর্দা করি তাহলে সেটা আমাদের জন্য সৌন্দর্যের উপকরণ হিসেবে ব্যবহার হয়। অনেকে আছে নিজের সৌন্দর্য মানুষের সামনে উপস্থাপন করার জন্য তারা নিজের পর্দার উপর নজর দেয় না। তারা ভাবে মানুষ আমার সৌন্দর্য দেখে মুগ্ধ হবে সবাই আমার দিকে তাকিয়ে থাকবে হ্যাঁ তাকাবে কিন্তু না তার দিকে কোনো ভালো মানুষ তাকাবে না তার দিকে তাকাবে সব খারাপ মানুষ আর আমরা কি চাই আমাদের দিকে কোনো খারাপ মানুষ তাকাক। অবশ্যই না! তারা আজকে তাকিয়েছে কালকে তাকিয়েছে তারপরের দিন তারা আপনার সংগে খারাপ কিছু করতে পারে। তাই আমরা পর্দা করব। পোশাক পরিধান করার করার সময় এর দিকেও লক্ষ্য রাখতে হবে এটা আল্লাহর এক বিশেষ নিয়ামত যা আল্লাহ শুধু মানুষকে দিয়েছেন। যা অন্য কোনো প্রাণীকে দেননি। তাই আমরা...

আল্লাহ কে?

আমরা দেখি যে ঘরবাড়ি ,কলকারখানা,বাড়ির সব জিনিস মানুষের হাতে তৈরি হয়। তাহলে আমরা কেমনে সৃষ্টি হলাম? আমাদের কে সৃষ্টি করেছেন?  নিশ্চয় আর কেউ নই;তিনিই আল্লাহ। আমরা দেখি একটি গাছের বীজ মাটিতে পুতে রাখলে তার থেকে গাছ হয়। গাছটি আবার বড় হয়, ফুল হয়, ফল হয় এসব কে করেন তিনি আর কেউ নন তিনি আল্লাহ। আল্লাহ কে দেখি না বিশ্বাস কবর কেন? আমরা তো বাতাসও দেখি না তাহলে আমরা কি বাতাস যে আছে তা বিশ্বাস করিনা? অবশ্যই করি ;বাতাস দেখার শক্তি সৃষ্টিকর্তা আমাদের দেন নি বলে আমরা তা দেখি না। ঠিক তেমনি আল্লাহ কে দেখার শক্তি আল্লাহ আমাদের দেন নি বলে আমরা আল্লাহ কে দেখি না।  আমাদের জন্ম দিয়ে মা বাবা কতই না আমাদের ভালোবাসেন। তাহলে যিনি আমাদের সৃষ্টি করেছেন তিনি আমাদের কত ভালোবাসেন? সাধারণভাবে আমরা যখন কোনো কিছু বানায় যদি সেটা ভেঙে যায় তাহলে আমরা কতই না কষ্ট পাই ঠিক তেমনি আল্লাহ আমাদের ধংস করে দিলে তাও আবার নিজের ইচ্ছায় তাহলে ভাব তিনি কত কষ্ট পান? তাই তিনি আমাদের ধংস করেন না। তা নাহলে আমরা অনেক আগেই ধংস হয়ে যেতাম।দেখা যায় না ঠিকই কিন্তু তিনি যে আছেন তার অনেক প্রমাণ তিনি...

ক্ষিপ্ত সুলেমান

  সুলেমান তার পরিবার নিয়ে একটি গ্রামে থাকতো।তার একটা পোষা কুকুর ছিল। নাম তার রোলেক্স। রোলেক্সের সাথে সুলেমানের ছেলের সেকি বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক। ঘুম, স্কুল, পড়ালেখা ছাড়া বাকি সময়টা কাটিয়ে দিত তার সাথে। মাঝে মাঝে লেখাপড়াও করতো তার সাথে। তবে বেশি বিরক্ত করলে অন্য রুমে রেখে আসতো। কারণ পড়ালেখার বিকল্প কিছু নেই।  একদিন সুলেমান ঘরে গোস্তো আনল।তা দিল জমিয়ে ভুনা করতে তার বউকে। তার বউ মনে মনে ভাবল আজকে স্বাদটা বাড়িয়ে সবাইকে মুগ্ধ করে দিব। ঠিক তাই করল কিন্তু বেচারি একটু ছেকে দেখতে গিয়ে পুরোটাই সাবাড় করে দিল। এবার স্কুল থেকে ছেলেকে নিয়ে বাবা আসল বাড়িতে। কাপড় চেঞ্জ করতে করতে তার বউ গোসল করতে ঢুকে গেল। এবার সুলেমান ভাত বাড়তে গিয়ে দেখল পুরো হাড়ি ফাকা এবার চেঁচামেচি লাগিয়ে দিল। বউ গোসল করতে করতে ভাবছে কি করা যায়। তার মাথায় একটা বুদ্ধি এলো। সে তাড়াতাড়ি বের হয়ে বলল এই কুকুরটা সব সাবাড় করেছে। এবার আগুন হলো সুলেমান আজ সে কুকুরটাকে ঘর থেকে বের করে দিবে। কিন্তু কুকুরটাকে তুলতে গিয়ে দেখল তার মুখে কিছু লেগে নেই। এবার সুলেমান ভাবল কে হতে পারে? সে আর তার ছেলে তো বাহিরে ছিল। তো কে হতে পারে? এবার বুঝতে...

মানুষের পরিচয়

মানুষের শরীরটা আসল শরীর নয়। শরীরের মধ্যে যে রুহ (আত্মা) আছে সেটাই মানুষ। দুনিয়ার যত মানুষ ছিল, আর যত হবে, সব মানুষের রুহ আগেই তৈরি হয়েছে। কোথায় এসব রুহ থাকে তা আমাদের জানার উপায় নেই।  যখন আল্লাহ কোনো রুহকে দুনিয়ায় পাঠাতে চান তখন তার জন্য মায়ের পেটে মানুষের ছোট্ট শরীর তৈরি করে এর মধ্যে রুহ দেন। জন্মের পর সেই শরীরটা আস্তে আস্তে বড় হয়। দুনিয়ায় এ শরীরটা দিয়ে মানুষ সব কাজ করে। যখন মানুষ মরে তখন শরীরটাই মরে। রুহ আবার শরীর থেকে আলাদা হয়ে যায়। আলাদা হয়ে কোথায় থাকে এবং কীভাবে থাকে তা দুনিয়ার থেকে বোঝা যায়না।  যদ্দিন এ দুনিয়া চলতে থাকবে ততদিন ওই সব রুহ এভাবেই থাকবে। দুনিয়ায় যারা আল্লাহর কথামতো কাজ করেছে তারা সেখানে আরামেই থাকবে। আর যারা খারাপ কাজ করে গেল তারা দুঃখেই থাকবে। একদিন এমন হবে যে, এই দুনিয়া ভেঙে যাবে।সেদিনই হলো কিয়ামতের দিন। আবার আর এক রকম দুনিয়া সৃষ্টি হবে।আবারও মানুষের শরীর তৈরি হবে। হাশরের ময়দানে মানুষকে বিচারের জন্য হাজির করা হবে। কেউ কোথাও লুকিয়ে থাকতে পারবে না। তাহলে দেখা গেল, মানুষ তৈরি হওয়ার পর আর মরে না। শুধু শরীরটাই মরে, আবার তৈরি হয়। এত কথা আমরা কেমন করে জানলাম? মান...